সঞ্জীব ভট্টাচার্য্য : | সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬ | প্রিন্ট | 47 বার পঠিত
পাঁচ মাস বন্ধ থাকার পর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে আবারও জিরা আমদানি শুরু হয়েছে। নতুন অর্থবছরের শুরুতে এ আমদানিকে বন্দরকেন্দ্রিক বাণিজ্যে ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে ভারত থেকে আসা জিরাবোঝাই একটি ট্রাক বন্দরে খালাসের অপেক্ষায় ছিল। এর আগে রোববার বিকেলে ট্রাকটি আখাউড়া স্থলবন্দরে পৌঁছায়।
আখাউড়া স্থল শুল্ক স্টেশন সূত্র জানায়, মাদারীপুরের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স মদিনা ট্রেডার্স ভারত থেকে ৩ মেট্রিক টন জিরা আমদানি করেছে। একটি ট্রাকে ১০০ বস্তায় করে আনা এ জিরার আমদানি মূল্য প্রতি কেজি সাড়ে ৩ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪৩০ টাকা ৫০ পয়সা।
আখাউড়া স্থলবন্দরের কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং (সিঅ্যান্ডএফ) এজেন্ট মেসার্স শোয়েব ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল-এর স্বত্বাধিকারী রাজীব উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, নতুন (২০২৬–২০২৭) অর্থবছরে বিভিন্ন পণ্য আমদানির প্রস্তুতি নিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। এরই অংশ হিসেবে জিরা আমদানি শুরু হয়েছে।
আখাউড়া স্থলবন্দরের ওয়্যারহাউজ (গুদাম) সুপারভাইজার মো. মিশু খান বলেন, গত অর্থবছরের জানুয়ারিতে সর্বশেষ ৩৬ মেট্রিক টন জিরা আমদানি করা হয়েছিল। পাঁচ মাস পর আবারও জিরা আমদানির মাধ্যমে নতুন অর্থবছরের আমদানি কার্যক্রম শুরু হলো। বাজারে চাহিদা ও মূল্য অনুকূলে থাকলে ভবিষ্যতে জিরা আমদানির পরিমাণ আরও বাড়বে।
আখাউড়া স্থলবন্দরের সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) মেহেদী হাসান বলেন, নিষিদ্ধ পণ্য ছাড়া অন্যান্য পণ্যের আমদানি বাড়লে বন্দরের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং কর্মসংস্থানও বৃদ্ধি পাবে।
আখাউড়া কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিন বলেন, আমদানি বাণিজ্য সম্প্রসারিত হলে ব্যবসায়ী ও সরকার উভয়ই লাভবান হবে। একই সঙ্গে সরকারের রাজস্ব আয়ও বাড়বে এবং বন্দরের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।
উল্লেখ্য, ১৯৯৪ সালে আখাউড়া স্থলবন্দরকে পোর্ট অব কল হিসেবে ঘোষণা করা হয়। পরে ২০১০ সালে এটি পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দর হিসেবে যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে রপ্তানি কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকলেও আমদানি বাণিজ্য এখনও প্রত্যাশিত পর্যায়ে পৌঁছাতে পারেনি।
Posted ৫:৪৩ অপরাহ্ণ | সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬
brahmanbaria2usa.com | Dulal Miah